মেছতা স্থায়ীভাবে দূর করার উপায়

melanyc


মেছতা ত্বকের একটি অন্যতম সমস্যা। সাধারণত ৩০ বছর বয়সের পর মেয়েদের ত্বকে মেছতা বেশি দেখা যায় যদিও ইহা নারী ও পুরুষ সবার ত্বকে দেখা দিতে পারে। মেছতার কারণে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় এবং নারীরা মানসিকভাবে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে মেছতা ত্বকের একটি Common সমস্যা। আজকে চলুন মেছতা নিয়ে বিস্তারিত জানা যাক।

মেছতা কি ?

মানুষের ত্বকে মেলানিন নামক একটি উপাদান থাকে যার উপস্থিতির কারণে ত্বক ফর্সা বা কালো হয়। বয়সের সাথে সাথে আমাদের ত্বকের মেলানিন এর ভারসাম্যতা নষ্ট হয় এবং ত্বকের কোনো অংশে মেলানিনের অধিক উপস্থিতির কারণে ত্বক বেশি কালো দেখায়। মেছতা একটি বিশেষ ধরণের (Pigmentation). মেছতার কারণে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়, কিন্তু ইহা ত্বকের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর নয়।

মেছতা শরীরের কোথায় দেখা যায় ?

মেছতা শরীরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যেতে পারে। কিন্তু সাধারণত গালে মেছতা খুব বেশি দেখা যায়। এছাড়াও নাকের উপরে গলায়, ঘাড়ে ইত্যাদি অংশেও মেছতা দেখা যেতে পারে।

মেছতা কি কি কারণে দেখা যেতে পারে ?

বিভিন্ন কারণে ত্বকে মেছতা দেখা দিতে পারে। সাধারণত সন্তান জন্মদানের পর মেছতা বেশি দেখা যায়। এছাড়াও রোদে বেশি সময় থাকলে, ত্বকের হরমোনের পরিবর্তনের ফলে বা বংশগত কারণে ও ত্বকে মেছতা দেখা যেতে পারে। মেছতার অন্যতম মূল কারণ হল নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার না রাখা। ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে মৃত কোষ ত্বকে অনেকদিন ধরে জমা হতে থাকে এবং ত্বকে মেছতা পরে যেতে পারে।

মেছতার প্রতিকার

  • ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।
  • বেশি বেশি পানি পান করতে হবে
  • বেশি পরিমানে চিনি বা জাল না খাওয়াই ভালো।
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল না খাওয়া ভালো।
  • রোদে বের হবার পূর্বে অবশ্যই Suncream ব্যবহার করতে হবে। আপনার জন্য কোন Suncream প্রযোজ্য হবে তা আপনার ত্বকের ধরণের উপর নির্ভর করবে। Suncream রোদে যাওয়ার ২০ মিনিট পূর্বে লাগাতে হবে এবং ২ ঘন্টা পর পর পূর্বের Suncream ধুয়ে নতুন করে লাগাতে হবে।

মেছতার চিকিৎসা ?

ত্বকের নিয়মিত যত্নই হতে পারে খুব ভালো চিকিৎসা। তবে, যেহেতু মেছতা অনেক সময় হরমোনের তারতম্যের কারণে হয়ে থাকে, তাই অনেক সময় ত্বকের মেছতা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিলে মেছতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়ে থাকে। এই জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উত্তম। তবে মেছতা সমস্যায় কিছু কিছু ট্রিটমেন্ট খুই কার্য্যকরী যেমন :
মাইক্রোডার্মাব্রেশন : মাইক্রোডার্মাব্রেশন মূলত একটি Exfoliation পদ্ধতি। এই মাইক্রোডার্মাব্রেশন এর মাধ্যমে উপরিত্বকের মৃতকোষ সমূহ অপসারণ করা হয়, ফলে ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার থাকে, তাই ত্বকে মেছতা জমতে পারে না।

Bio-Hydrafacial: Bio-Hydrafacial ত্বকের মেছতা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি প্রযুক্তি। এই ট্রিটমেন্ট এর প্রথমেই মাইক্রোডার্মাব্রেশন করানো হয় এবং একইসাথে ত্বকের মেছতা দূর করার জন্য কার্যকরী সিরাম যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সেরাম দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করা হয়। এরপর ভিটামিন বি সমৃদ্ধ সিরাম দিয়ে ত্বকের অতিরিক্ত মেলানিন কমিয়ে দেয়, এবং এই সেরামের অন্যান্য উপাদান ত্বককে Nourish এবং Moisture প্রদান করে, ফলে ত্বক খুব ভালোভাবে পরিষ্কার হয় এবং মেছতা সোহো ত্বকের অন্যান্য সমস্যা চলে যায়।
ভিটামিন সি সিরাম: এই সেরামের Nutrients সরাসরি ত্বকে পুষ্টি যোগায় এবং আন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান সমূহ ত্বকের পিগমেন্টেশন কমিয়ে দেয় যা ত্বকের মেছতা সমস্যায় খুবই কার্যকরী হয়।

ফর্সাকারী ক্রিম: মেছতা সমস্যার জন্য আপনি ন্যাচারাল Ingredients যুক্ত Melanyc  ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। দেখে নিতে হবে যে ক্রিমে Chromabright® ,Kojic Acid, Phytic Acid, Glycolic Acid, Arbutin, Vitamin C, Nicotinamide আছে কি না ?  এসব উপাদান ত্বকের মেলানিন নিয়ন্ত্রণ করে মেছতা দূর করতে সাহায্য করে।
মেছতা সহ ত্বকের যে কোনো সমস্যার জন্য আপনি বায়ো-জিন কস্মেসিউটিক্যালস এ চলে আসতে পারেন। এখানে সার্বক্ষণিক ডাক্তারের মাধ্যমে স্কিন কেয়ার ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়। যে কোনো ধরণের মেছতার স্থায়ী চিকিৎসায় জন্য সরাসরি চলে আস্তে পারেন। আপনার যে কোন জিজ্ঞাসায় ০১৭০৮৪১১৪৭০ বা ০১৭০৮৪১১৪৭২ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।



Facebook Comments

4 thoughts on “মেছতা স্থায়ীভাবে দূর করার উপায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *