গর্ভাবস্থার পর পেটের মেদ কমানোর ৭ টি সহজতম উপায়

মেয়েদের পেটে মেদ বা চর্বি একটি দৃষ্টিকটু হিসেবেই দেখা হয়। গর্ভাবস্থার পর তলপেটে মেদ জমা মেয়েদের জন্য একটি অতি Common সমস্যা।  এই মেদ বা চর্বি শুধুমাত্র সোন্দর্য্যই নষ্ট করে না, সাথে সাথে শরীরে বিভিন্ন ধরণের রোগ ও সৃষ্টি হতে থাকে।  অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি জমে শরীরে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা যেমন  হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ ইত্যাদি নানাবিদ সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেদ জমলেও পেটের মেদ খুবই ক্ষতিকর এবং ইহা থেকে মুক্তি পাওয়াও খুবই মুশকিল।  তাই খুব বেশি মেদ জমে যাওয়ার আগেই এর ট্রিটমেন্ট করা খুবই জরুরি।  যেহেতু পেট এর সাথে আমাদের শরীরের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন লিভার, কিডনি ইত্যাদি জড়িত, তাই পেটের মেদ দূর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।  তাই, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থকর খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   স্লিম থাকার জন্য নিচের সাতটি পদ্ধতি গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১. শ্বাস-প্রশ্বাস

সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস  নেয়ার মাধ্যমে পেটের মেদ কমানো যেতে পারে।  যদি আমরা নিয়ম মেনে নিয়মিত আস্তে আস্তে করে শ্বাস-প্রশ্বাস  নিই, তবে প্রাকৃতিকভাবে পিটার ব্যায়াম হবে এবং পেটের মেদ কমে যাবে।

২. পেটের ব্যায়াম

একটি নির্দিষ্টভাবে পেটের ব্যায়াম  করতে হবে যেন পিটার মেদ দ্রুত কমে যায়।   যেমন চিৎ হয়ে শুয়ে পা উপরের দিক করে ধরে রাখুন।   একইভাবে প্রতিদিন ব্যায়াম করলে পিটার মেদ কমতে পারে।

৩. আমিষ জাতীয় খাবার

বিভিন্ন প্রকার আমিষ জাতীয় খাবার পেটের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা  থাকে।   বিভিন্ন আমিষ জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডাল সবজি অত্যন্ত কার্যকরী।   এই সব খাবার শরীরের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৪. ফ্যাট জাতীয় খাবার বর্জন করুন

বিভিন্ন ধরণের ফ্যাট  যুক্ত খাবার যেমন মাংস, ঘি,মেয়োনেজ, কলিজা ইত্যাদি পরিহার করুন, এতে আপনার পেটের মেদ বাড়তে পারবে না।

৫. গ্রীন ভেজিটেবল

বিভিন্ন ধরণের সালাদ, টমেটো ইত্যাদি খাবার বেশি করে খান যাতে এগুলো হজমে প্রচুর পরিমান শক্তি নষ্ট হয় ফলে আপনার শরীরের মেদ কমতে শুরু করবে।

৬. পানি প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।

পরীক্ষায় ইহা প্রমাণিত যে প্রচুর পরিমান পানি পান করলে তো শরীরের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে।

  ৭. পরিমিত ঘুম

খুব বেশি বা কোন ঘুম শরীরের জন্য ক্ষতিকর।   প্রতিদিন পরিমিত পরিমানে ঘুমানো শরীরের জন্য খুবই দরকারী।
এই সকল চিকিৎসা কার্যকরী হলেও ইহা সময় সাপেক্ষ এবং অনেক ধৈর্য্য ধরতে হবে।  পেটের মেদ দূর করার জন্য কিছু উন্নত প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকরী এবং সময় ও কম লাগে।

স্লিমিং এর জন্য ULTRASONIC CAVITATION

স্লিমিং এর জন্য এই ট্রিটমেন্ট খুবই কার্যকরী।  অল্ট্রাসোনিক হলো একটি উচ্চ তরঙ্গ বিশিষ্ট শব্দ যা ২০,০০০ HZ এর বেশি। এই শব্দ মানুষের শ্রবণ সীমার বাহিরে হওয়াতে মানুষ শুনতে যায় না। অল্ট্রাসোনিক মেশিনের এই শ্রবণোত্তর শব্দ তরঙ্গ মেদকোষের মধ্যকার তরলে বুদ্বুদ্ তৈরী করে। এই বুদ্বুদ্ এর চাপে মেদ ভেঙ্গে যায় ও শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এই মেশিনে কোনো ক্যামিক্যাল ব্যবহার নাই বলে ইহা ত্বকের কোনো ক্ষতি ও করে না।  শরীরের যে সকল অংশে মেদ জমতে পারে সে সকল অংশে যেমন Arms, Belly, Taigh, Buttock ইত্যাদি অংশে এই মেশিন ব্যবহার করা যায় । এই মেশিনের সাথে আপনি কিছু স্লিমিং gel ও ব্যবহার করতে পারেন যাতে এই গেল গুলো দ্রুত ত্বকের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে এবং ট্রিটমেন্ট দ্রুত কাজ করে।  ভালো ফল পেতে আপনার Diet নিয়ন্ত্রণ করা ও জরুরী। মেশিনটি ব্যবহারের সাথে সাথে প্রতিদিন ডায়েট প্ল্যান এবং পূর্বের পরামর্শ পালন করলে খুব অল্প সময়ে পেটের মেদ কমানো সম্ভব হবে।

ত্বকের যে কোনো সমস্যার জন্য আপনি বায়ো-জিন কস্মেসিউটিক্যালস এ চলে আসতে পারেন।  এখানে সার্বক্ষণিক ডাক্তারের মাধ্যমে স্কিন কেয়ার ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়।  যে কোনো ধরণের মেছতার স্থায়ী চিকিৎসায় জন্য সরাসরি চলে আস্তে পারেন।   আপনার যে কোন জিজ্ঞাসায় ০১৭০৮৪১১৪৭০ বা ০১৭০৮৪১১৪৭২ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

Related Product

[vc_column]

[/vc_column]

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *