ক্যামিক্যাল পিলিং নাকি ডায়মন্ড পিলিং ? কোনটা আপনার ত্বকের জন্য ভাল ?



রূপ চর্চায় সাধারণ ক্রিম এখন অনেকটাই সেকেলে, এই ক্রিম অনেক দিন ব্যাবহারের পর ও খুব ভাল রেজাল্ট পাওয়া যায় না । একই ভাবে কিছু কিছু ক্রিমের অধিক মাত্রার রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি ত্বকের ক্ষতি করছে, ফলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ঝলসে যাওয়া, উজ্জলতা নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলছে । একই সাথে প্রযুক্তির উৎকর্ষ আমাদের ত্বকের যত্নে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত অনেক চিকিৎসা এখন হাতের নাগালে, তাই সাধারণ ক্রিম ঠিক পূর্বের মত আবেদন ধরে রাখতে পারছে না । আজকাল ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ধরনের পিলিং যেমন ক্যামিক্যাল পিলিং ও ডায়মন্ড পিলিং খুবই জনপ্রিয় । চলুন দেখে নেয়া যাক, এই পিলিং গুলো কি, এদের ভিন্নতা এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে ।

পিলিং কি

ত্বকের উপরিস্তরের (Epidermis) এর কোষ সমুহ বিভিন্ন ভাবে আক্রান্ত হলে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয় যেমন সানবার্ন, রেশ, চুলকানি, ত্বকের শুষ্কতা ইত্যাদি, ফলে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জলতা নষ্ট হয় । ত্বকের এই অবস্থাকে পিলিং বলা হয় ।
ত্বক প্রতিনিয়ত বাহিরের পরিবেশের সাথে সংস্পর্শে থাকে এবং বাহিরের পরিবেশ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে । তাই, প্রিতিনিয়তই ত্বকের উপর অনেক ধকল যায় । ত্বক প্রতিনিয়ত নতুন কোষ তৈরি করে নিজেকে রক্ষা করে । কিন্ত অনেক সময় ত্বকের এই নতুন কোষ গঠনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হলে ত্বকের এই সব সমস্যা প্রকট আকার ধারন করে, ফলে ত্বকে পিলিং হয় । এছাড়া ও অনেক অসুখের কারনে পিলিং হতে পারে যেমন এলার্জি, ইনফেকশন, বংশগত কারন ইত্যাদির কারনে ত্বকে পিলিং হতে পারে ।

ক্যামিকেল পিলিং

ত্বকেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ত্বকে ক্যামিকেল পিলিং করা হয় । ক্যামিকেল পিলিং মুলত একটি একটি স্কিন ট্রিটমেন্ট যার মাধ্যমে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ত্বকে প্রবেশ করানো হয় এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে । ক্যামিকেল পিলিং তিন ধরণের হয়ে থাকে যেমন Superficial পিলিং , Medium পিলিং, এবং Deep পিলিং । Superficial পিলিং ট্রিটমেন্ট উপরি ত্বকের চিকিৎসা করে, মূলত Epidermis এ এই ট্রিটমেন্ট কার্যকরী হয় । medium পিলিং ট্রিটমেন্ট ত্বকের dermis লেয়ার পর্যন্ত কার্যকরী হয় এবং Deep পিলিং ত্বকের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ত্বকের ট্রিটমেন্ট করা হয় । ক্যামিকেল পিলিং করতে যেই ঊপাদান গুলি খুবই পরিচিত, তা হলো Retinoids , Alpha-Hydroxy Acids, Beta-Hydroxy Acids (Salicylic Acid), Trichloroacetic Acid, And Phenol ইত্যাদি। একটি নিদিষ্ঠ সমস্যার জন্য একটি নিদিষ্ঠ ট্রিট্মেন্ট কার্যকরী হয়, তাই সবাই একই ধরণের ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন না ।

ক্যামিকেল পিলিং কাদের জন্য প্রজোয্য ও প্রযোজ্য নয়

রোদে পোড়া ত্বকের জন্য ক্যামিকেল পিলিং খুবই কার্যকরী । এছাড়াও যাদের ত্বকে বিভিন্ন ধরণের পিগমেন্টেশন যেমন মেছতা , কালো দাগ ইত্যাদি আছে, তাদের জন্য কার্যকরী হয় ।কিন্তু যাদের ত্বকে খুব বেশি রোদে পোড়া দাগ আছে, তারা এই ট্রিট্মেন্ট ব্যাবহার করতে পারবেন না, এতে আরো বেশি দাগ পড়ে যাবার সম্ভাবনা আছে ।

ক্যামিকেল পিলিং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ক্যামিকেল পিলিং এর কিছু কিছু পার্শ্বাপ্রতিক্রিয়া আছে যেমন ত্বকে scarring, ইনফেকশন, ভাইরাস সংক্রমন ইত্যাদি । কখনো কখনো ত্বকে বিভিন্ন রঙের দাগ ও দেখা দিতে পারে । কিছু কিছু ক্যামিকেল পিলিং সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে ।ট্রিটমেন্টের সময় কখনো কখনো ট্রিটমেন্ট এর স্থান অবশ করে নিতে হয় । সেন্সেটিভ ত্বকের ক্ষেত্রে ট্রিটমেন্টের পর স্পেশাল ভাবে দেখা শুনা করতে হয় । এছাড়াও রোদে যাওয়া বারন থাকে এবং এই ট্রিটমেন্টের ফলাফল চিকিৎসকের দক্ষতার উপর নির্ভর করে ।

ডায়মন্ড পিলিং

ডায়মন্ড পিলিং মূলত একটি exfoliation প্রক্রিয়া যাহা উপরিত্বকের মৃত কোষ অপসারন করে । ইহা একটি noninvasive প্রক্রিয়া যা ত্বকের ময়লা, মৃত কোষ, অতিরিক্ত তৈল, বা ত্বকের যে কোন ধরণের আসঙ্গতি দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও ফর্সা করে, Younger লুক ফিরিয়ে আনবে । একই সাথে ত্বকের ব্রণ বা অন্য সমস্যা ও দূর করবে ।

ডায়মন্ড পিলিং কিভাবে কাজ করে

ডায়মন্ড পিলিং উপরি ত্বকের মৃত কোষের Stratum Corneum লেয়ার দূর করে । ডায়মন্ড পিলিং সম্পূর্ণ ক্যামিকেল বা ক্রিস্টাল মুক্ত । এই ট্রিটমেন্টে একটি অমসৃণ ডায়মন্ড টিপ ব্যাবহার করা হয়, যা ত্বকের মৃত কোষ, ময়লা ইত্যাদিকে ত্বক থেকে আলাদা করে ফেলে, ফলে Vacuums এর চাপে ত্বক থেকে আলাদা হয়ে যায় ।

ডায়মন্ড পিলিং এর উপকারিতা

ডায়মন্ড পিলিং ত্বকের বিভিন্ন ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রনের দাগ, ত্বকের ময়লা, রোদে পোড়া দাগ, মেছতা ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করে কোন প্রকার ক্যামিকেল ছাড়াই , ফলে সেনসিটিভ ত্বকের জন্য ও সমান কার্যকরি ।

ডায়মন্ড পিলিং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এই ট্রিটমেন্টের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই । তবে ট্রিটমেন্ট নেয়ার পর ত্বকে একটু লালচে ভাব আসতে পারে যা ২৪ -৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেরে যাবে । ত্বকে অনেক বেশি ব্রণ থাকলে ও এই ট্রিটমেন্ট না নেওয়া ভাল, কিন্তু হালকা ব্রণের চিকিৎসায় এই ট্রিট্মেন্ট খুবই কার্যকর । এই ট্রিট্মেন্ট নেয়ার পর সাধারণ মশ্চারাইজার ও সানক্রিম ব্যাবহার করতে হবে । মাত্র কিছু দিন ব্যাবহারে এই ট্রিটমেন্টের ফল দেখতে পাওয়া যায় ।

ত্বকের যে কোনো সমস্যার জন্য আপনি বায়ো-জিন কস্মেসিউটিক্যালস এ চলে আসতে পারেন। এখানে সার্বক্ষণিক ডাক্তারের মাধ্যমে স্কিন কেয়ার ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়। যে কোনো ধরণের মেছতার স্থায়ী চিকিৎসায় জন্য সরাসরি চলে আস্তে পারেন। আপনার যে কোন জিজ্ঞাসায় ০১৭০৮৪১১৪৭০ বা ০১৭০৮৪১১৪৭২ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

Related Product

[vc_column]

Sale

Hyperpigmentation & Spot Care

Melumin Depigmenting Night Cream

৳ 2,500.00 ৳ 1,875.00 Anti-dark spots concentrated night cream
View product
Sale

Hyperpigmentation & Spot Care

Melumin Brightening Micellar Emulsion

৳ 1,800.00 ৳ 1,350.00 Visibly reduces dark spot and melasma
View product
Sale

Hyperpigmentation & Spot Care

Melumin Depigmenting Day Cream

৳ 2,500.00 ৳ 1,875.00 Protecting skin against sun radiation.
View product
Sale
৳ 2,500.00 ৳ 1,875.00 Provides you fresh and energetic look by minimize pore
View product
Sale

Hyperpigmentation & Spot Care

Scarsilc Fast Gels for Scar Treatment

৳ 1,500.00 ৳ 1,125.00 Non-surgical option to improving the appearance of your scars
View product
Sale

Regular Skin Care

Skin Clinic Sunblock SPF 50+

৳ 2,500.00 ৳ 1,875.00 Sun protection with hydration and nutrition
View product
[/vc_column]


Facebook Comments

3 thoughts on “ক্যামিক্যাল পিলিং নাকি ডায়মন্ড পিলিং ? কোনটা আপনার ত্বকের জন্য ভাল ?

  1. Mahmuda Khatun says:

    Apnader ei beparta amar kase khub e valo legese…ki ki problem and tar somadhan o diyesen.thanks

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *