“থার্টি ইজ দা নিউ টুয়্যেন্টি” ত্বকের বয়স তিরিশে আটকে রাখার ৯ টি লাইফহ্যাক

তারুণ্য ধরে রাখার প্রচেষ্টা মানুষের অফুরন্ত । সুস্থ, সুন্দর, তারুণ্য দীপ্ত দেখাতে কে না চায় ! বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের ত্বক বুড়িয়ে যায়। ত্বকের ইলাস্টিসিটি এবং ঔজ্জ্বল্য উভয়ই কমতে থাকে। ত্বক সংবেদনশীল ও হয়ে পড়ে। ফলে অল্পতেই ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হবার প্রবণতা তৈরী হয়। এই সকল সমস্যার সূত্রপাত মূলত বয়স ত্রিশে পা দেওয়া থেকেই শুরু হয়। ত্রিশ এর শুরুতে একদিকে নাতো ব্রণ সমস্যার নিষ্পত্তি হয় যার সূত্রপাত টিনএজজ বয়স থেকে, অন্যদিকে বলিরেখাও উঁকি মারতে শুরু করে। কঠিন হলেও সত্য যে বার্ধক্যরোধের কোনো উপায় নেই, তবে স্বাস্থ্য ও ত্বকের সঠিক যত্নআত্তির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় দেরি আনা সম্ভব।

তিরিশে শরীর ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখার ৯ টি লাইফস্টাইল হ্যাক

১. প্রতিদিন ন্যুনতম ২ লিটার পানি পান করুন। ডিইাইড্রেশন ত্বকের ইলাস্টিসিটি ও উজ্জ্বলতা হারানোর প্রধান কারণ। পানি ডাইজেশন এ সহায়তা করে শরীর থেকে টক্সিন নিঃসরণ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

২. খাদ্যাভ্যাস- ত্বকের প্রয়োজনীয় সকল নিউট্রিয়েন্টস আমরা খাবার থেকেই পাই। প্রতিদিনের ডায়েটে তাই এন্টি অক্সিডেন্টস সমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি, ফলমূল রাখতে হবে।

৩. সানব্লক সময়ের আগে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার সবচাইতে বড় কারণ হল সূর্যরশ্মির সরাসরি ত্বকে প্রবেশ। পর্যাপ্ত প্রোটেকশন অভাবে ত্বকে আসতে পারে বলিরেখা ও সানস্পট যা দূর করা খুবই মুশকিল। তাই সানব্লক ব্যবহার অপরিহার্য।

৪. পরিচ্ছন্নতা – ত্বকের বিভিন্ন স্তরে ময়লা ও পলিউশনের আস্তর জমে। নিয়মিত এক্সফলিয়েশন ও ক্লিনজিং ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।

৫. ময়েশ্চারাইজিং – ত্রিশের পর হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক ময়েশ্চার হারাতে থাকে। তাই এ সময় থেকেই নিয়মিত ক্রিম বা সিরাম ব্যবহারে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করা অবধারিত।

৬. চোখের ত্বকের যত্ন- চোখের চারপাশের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। খুব সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হবার প্রবণতা থাকে । এ সময় থেকেই স্পেশাল আই-কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার শুরু করতে হবে।

৭. নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম- যত যাই করুন বার্ধক্য আপনাকে পেয়েই বসবে যদি লাইফস্টাইলে ন্যুনতম ফিজিক্যাল এক্টিভিটি না থাকে। ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে বা ব্যায়াম করলে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় যা শরীরের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও খুবই উপকারী।

৮. মেডিটেশন বা ডি-স্ট্রেস- কর্মমুখর ব্যস্ত জীবনে বিভিন্ন কারণে আমরা চিন্তিত হই। চিন্তা বা ধকল আমাদের মুখের ত্বকের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। মেডিটেশন বা যোগব্যয়াম শরীরে হরমোনের মাত্রা মেইনটেন করে স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

৯. দৈনিক ৭/৮ ঘন্টা ঘুম- ভালো ঘুম আপনাকে ন্যাচারালি দেবে ভালো ত্বক। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীর বেশি পরিমাণে কর্টিসল নিঃসরণ করে যাতে স্ট্রেস বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা কমায়। এছাড়াও ঘুমের সময় স্কিন তার প্রয়োজনীয় হিলিং প্রসেস সম্পন্ন করে। ফলে দৈনিক ৭/৮ ঘন্টা ঘুমের বিকল্প নেই।

বয়স ধরে রাখার এই ৯টি হ্যাকস কেমন লাগলো কমেন্টে জানাবেন কিন্তু। আর আপনার জানা ১০ নম্বর লাইফ হ্যাকসটিও কমেন্টে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Facebook Comments